https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

করোনা ভাইরাস কেড়ে নিলেন ঈদের খুশি বন্ধ থাকবে কক্সবাজারে সব শপিং মল - coxsbazarbanglanews.com

বিজ্ঞাপন দিতে পারেন !

TRUE

Page Nav

HIDE

br

HIDE

Grid

GRID_STYLE
FALSE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

latest

ads by cbbn

করোনা ভাইরাস কেড়ে নিলেন ঈদের খুশি বন্ধ থাকবে কক্সবাজারে সব শপিং মল

নিজস্ব প্রতিবেদক  :    কিছুতেই কমছেনা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে রোগী। তদ্রূপ কক্সবাজারে করোনার পরিস্থিতি খারাপ দিকে তাই   ক...



নিজস্ব প্রতিবেদক  :

   কিছুতেই কমছেনা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে রোগী। তদ্রূপ কক্সবাজারে করোনার পরিস্থিতি খারাপ দিকে তাই   কক্সবাজার     শহরের সবমার্কেট ও শপিং মল বন্ধ রাখতে নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কক্সবাজার মার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশন।

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কক্সবাজার শহরে এই এসোসিয়েশনের অধীনে ৩০টি মার্কেট ও শপিংমল রয়েছে।

শনিবার (৯ মে) এসোসিয়েশনের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে মার্কেট ও শপিং মলের কোন দোকান মালিক তার দোকান খুলতে চাইলে কোন বাধা নেই।

তবে সে ক্ষেত্রে ওই দোকানকে সরকার ঘোষিত নীতিমালা মেনে দোকান খোলা রাখতে হবে।

কক্সবাজার মার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশনের আহবায়ক ও সৈকত টাওয়ার শপিং মলের স্বত্ত্বাধিকারী মাহবুবর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (৯ মে) বেলা আড়াইটায় শহরের আবু সেন্টারে এসোসিয়েশন আহবায়ক মাহবুবর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নুরুল করিমের সঞ্চালনায় সভা অনুষ্টিত হয়।

সভায় কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও আবু সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন ইয়াছিন পারভেজ, মাষ্টার লোকমান, সরওয়ার রোমন প্রমূখ।

এছাড়াও মোবাইল ও অনলাইনে নিজেদের মতামত দিয়েছেন হাশেম টাওয়ারের মালিক এডভোকেট আ জ ম মঈন উদ্দিন, ফিরোজা শপিং কমপ্লেক্সের মালিক মাহবুবুল হক মুকুল, এ সালাম মার্কেটের মালিক কামরুল ইসলাম কাজল, ফজল মার্কেটের মালিক আনোয়ার আহমদ, আপন টাওয়ারের মালিক মোহাম্মদ হোছাইন ও আবু জাফর সিদ্দিকী।

মাহবুবর রহমান জানান, সভায় সার্বিক বিষয় আলোচনা করা হয়। তবে যেহেতু সরকারি সিদ্ধান্তে মার্কেট, শপিং মল খোলা রাখতে বলা হয়েছে, সেহেতু মার্কেট মালিকদের সেখানে বাধ সাধার সুযোগ নেই।

তবে সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে মার্কেট মালিকরা মার্কেট বন্ধ রাখতে নীতিগত ভাবে একমত হয়েছেন।
তার মতে, এই সিদ্ধান্তের আলোকে ঈদের আগে কক্সবাজার শহরের মার্কেট ও শপিংমল গুলো খোলা না রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাহবুবর রহমান জানান, এসোসিয়েশনের সিদ্ধান্তের পরও যে সকল দোকান মালিক দোকান খুলবেন তারা নিজ দায়িত্বে খুলতে পারবেন।

তবে এক্ষেত্রে সবধরণের দায়দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। এজন্য এসোসিয়েশন দায় নেবে না।

মার্কেট এসোসিয়েশন সুত্র জানিয়েছেন, কক্সবাজার শহরে ৬০টির অধিক বড় মার্কেট ও শপিংমল রয়েছে। তবে এই এসোসিয়েশনের সদস্য রয়েছেন ৩০ জন মার্কেট-শপিংমল মালিক।

অচিরেই সব মার্কেট মালিকরা এই এসোসিয়েশনের সদস্যভূক্ত হতে যাচ্ছে।

সুত্র মতে, কক্সবাজার মার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশনের সদস্যভূক্ত কক্সবাজার শহরের উল্লেখযোগ্য মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে, সৈকত টাওয়ার শপিংমল, আবু সেন্টার, বানু প্লাজা শপিং কমপ্লেক্স, ফজল মার্কেট, এ সালাম মার্কেট, আসাদ কমপ্লেক্স, রক্ষিত মার্কেট, এআরসি টাওয়ার, হাজী কমপ্লেক্স, আশা শপিং কমপ্লেক্স অন্যতম।

এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ও আশা শপিং সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী নুরুল করিম জানান, এসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত কক্সবাজার শহরের সকল মার্কেট-শপিংমল মালিকদের জানানো হবে।
তবে এসোসিয়েশনের বাইরে থাকা মার্কেট-শপিংমল এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে কিনা সেটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার।

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে মার্কেট না খোলার পক্ষে মত দিয়েন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুকুল ফেসবুকে বিবৃতি দিয়ে বর্তমানে কক্সবাজার শহরের বাইরে অবস্থান করা দোকান মালিক ও কর্মচারিদের লকডাউন শেষ না পর্যন্ত কক্সবাজারে না আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ওই বিবৃতিতে মুকুল বলেন, বাইরে থাকা দোকান মালিক-কর্মচারিদের কক্সবাজারে দেখা গেলে প্রশাসনকে জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, সরকার ঈদকে সামনে রেখে আগামিকাল ১০ মে থেকে সারাদেশে মার্কেট, শপিংমলসহ সব ধরণের দোকান খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

কিন্তু সরকারি ঘোষণার পরও ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বড় বড় শহরের মার্কেট মালিক ও দোকান মালিকরা মার্কেট না খুলতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

No comments