https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

শহরের কলাতলী থেকে এক ভূয়া সাংবাদিক কাজলকে নারীসহ জনতা আটক করে পুলিশের হাতে সোর্পদ করেছে

Recent Tube

শহরের কলাতলী থেকে এক ভূয়া সাংবাদিক কাজলকে নারীসহ জনতা আটক করে পুলিশের হাতে সোর্পদ করেছে



এম এস হান্নান :
গত শুক্রবার কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে এক নারীসহ দিদারুল ইসলাম কাজল নামে এক ভূঁয়া সাংবাদিককে ধরে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। নয়না সেলিনা নামের এক নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ড করার সময় ওই ভূঁয়া সাংবাদিককে আটক করে তার মাথাও ন্যাড়া করে দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা। পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে তুলে দেন তারা।

ঘটনার হয় শুক্রবার (৭ আগষ্ট) সন্ধ্যায়। ওই সময় নয়ন সেলিনা নামের ওই মহিলাকেও থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

তবে নয়না সেলিনার পারিবারিক সুত্র দাবি করেছেন, কাজল নামের ওই যুবক প্রায় সময় সেলিনাকে উত্ত্যক্ত করতো। সেলিনা কলাতলীর লাইট হাউস এলাকায় খালার বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেখানে গিয়েও কাজল নামের ওই যুবক ডিস্টার্ব করছিল। ওই সময় সেলিনার আত্মীয় স্বজনরাই তাকে ধরে পুলিশে তুলে দিয়েছেন।

তবে কক্সবাজার সদর মডেল থানা সূত্র মতে, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলার এলাকার বাসিন্দা নয়না সেলিনার সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কথিত ভূয়া সাংবাদিক কাজল। তারা দুইজনই আত্বীয়তার সুযোগে কাজল ওই বাড়িতে আসতেন এবং অবৈধ মেলামেশা করতেন।


গোপন সুত্রে জানা যায় যে, স্বামী পরিত্যক্তা নয়না সেলিনার এই নারীর বাড়ি কলাতলীতে। বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন তার বাড়িতে যাতায়াত করতেন দিদারুল ইসলাম কাজল। তাদের এক প্রকার বিয়ের কথাও চলছিল। কিন্তু হঠাৎ তাদের ভেতর কি হয়েছে তা স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না। তবে তারা দুইজনই বিবাহিত এবং তাদের দু’জনেরই বড় বড় সন্তান রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র বলছে, দিদারুল ইসলাম কাজল নামের এই ব্যক্তি কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকা সমুদ্র কন্ঠের টাকার বিনিময়ে ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে কার্ড নিয়েছিলেন। ওই কার্ড দেখিয়ে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী দপ্তরে চাঁদাবাজি করতেন তিনি। এই চাঁদাবাজির খবর ওই পত্রিকা অফিসে গেলে তাকে এই পত্রিকার রিপোর্টার নন বলে দাবি করেন।

সূত্র মতে, এই দিদারুল ইসলাম কাজল নামে-বেনামে সাংবাদিক কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন নিরীহ মানুষের কাছেও ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করতেন। সর্বশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থাও তাকে খুঁজছিল।

বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাসুম খান কক্সবাজার বাংলা নিউজ ডটকমকে জানান, অবৈধ সম্পর্ক থাকায় স্থানীয় লোকজন তাদের আটকে রেখে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাদের দুইজনকেই থানায় নিয়ে আসে এবং পুলিশ হেফাজতে আছেন।

মাসুম খান জানান, ভূঁয়া সাংবাদিক দিদারুল ইসলাম কাজলের কাছ থেকে খালি ষ্ট্যাম্পও নেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Post a Comment

0 Comments