https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীনে দিনে উচ্ছেদ করে বনবিভাগ, রাতে দখল করে স্হানীয় সন্ত্রাসীরা - coxsbazarbanglanews.com - CBBN

বিজ্ঞাপন দিতে পারেন !

TRUE

Page Nav

HIDE

br

HIDE

Grid

GRID_STYLE
FALSE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

latest

ads by cbbn

ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীনে দিনে উচ্ছেদ করে বনবিভাগ, রাতে দখল করে স্হানীয় সন্ত্রাসীরা

  এম শফিউল আলম আজাদ, ঈদগাঁওঃ কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের অধীনে ফুলছড়ি রেঞ্জে দিনে উচ্ছেদ করে বনবিভাগ রাতে আবার দখল করে ঘর তৈরি করে সন্ত্রা...

 

এম শফিউল আলম আজাদ, ঈদগাঁওঃ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের অধীনে ফুলছড়ি রেঞ্জে দিনে উচ্ছেদ করে বনবিভাগ রাতে আবার দখল করে ঘর তৈরি করে সন্ত্রাসীরা। এই অবস্থা চলছে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের সরকারি বনের জমিতে। উচ্ছেদ করতে গিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তা আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর সেই জমিতে থাকা হাজার হাজার গাছ ও ইতি মধ্যে কেটে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। এতে উক্ত বন বিভাগের জমিতে বৈধ ভাবে বাগান সৃজন করে সরকারকে গাছ বিক্রি করে লাভবান করা ব্যাক্তিরাও চরম বেকায়দায় পড়েছে। তবে
স্থানীয়দের দাবী বনবিভাগ আরো শক্ত আইনী ব্যবস্থা নিলে সন্ত্রাসীরা পশ্রয় পেতো না। এদিকে আরো শোনা যাচ্ছে বনের জমি জোর পূর্বক দখলকারীদের সেই জমি লিজ দেওয়ার প্রকৃয়া চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কক্সবাজার ইসলামপুর ইউনিয়নের ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন ১০ হেক্টর বন বিভাগের জমি বাগান সৃজন করে রক্ষনাবেক্ষন সহ সরকারি স্বার্থরক্ষা করে বনায়ন করারজন্য ২০০৪-০৫ সালে স্থানীয় মনজুর আলম, আবদুল হামিদ, সাজেদা নার্গিস, সার্জিনা সরওয়ার, হাফেজ মোঃ রহিম উদ্দিন, এহসানুল হক, নুরুচ্চফা, মোহাম্মদ আমির, আজম চৌধুরী, মাহমুদা বেগম সহ ১০ জনের সাথে তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (উত্তর) চুক্তি সম্পাদন করে। ১০ বছর মেয়াদী এই চুক্তিতে কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারলে পরবর্তী ১০ বছরে জন্য স্বয়ংক্রিয় ভাবে নবায়ন হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হবে। স্থানীয়দের দাবী এই বাগানের আশপাশে আরো ৪০ টি বাগান ছিল সব গুলোই সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক আশ্রয় পশ্রয়ে দখল করে বিক্রি করে ফেলেছে শুধু এই বাগানেই ২০১৮ সালে গাছ বিক্রি করে সরকারকে লভ্যাংশ দিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই বাগানেই সন্ত্রাসীরা পূর্বে ১৫ টিএবং নতুন করেআরো ৬ টি ঘর তৈরি করে দখল করেছে অসংখ্য জমি, সেখানে বর্তমানে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিচ্ছে। ফলে সেই বাগানে যেতে পারছেনা বৈধ লিজ গ্রহনকারীরা। এদিকে স্থানীয়দের দাবী ভাল মানুষ এবং ভাল কিছুর দুনিয়াতে কোন দাম নেই তার প্রমান আবার হলো। এখন যারা সন্ত্রাসী কায়দায় বনের জমি দখল করেছে তাদের সেই বনের জমি লিজ দেওয়ার পায়তারা করছে। এ ব্যপারে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক সোহেল রানা জানান, সেই বাগানে সত্যিকার অর্থে সরকারের সব স্বার্থ রক্ষা হয়েছে। বর্তমানে সেই বাগানে ৯ অক্টোবর এবং ১০ অক্টোবর দুই বার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে তবে আমরা দিনে উচ্ছেদ করে আসি সন্ত্রাসীরা রাতে আবার দখল করে। এখন আবারও উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আগে বনায়নের জন্য জন প্রতি ১ হেক্টর জমি দেওয়া হতো এখন ১ একর করে দেওয়া হবে। সে জন্য আগে ১০ জনকে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই জায়গায় ২৫ জনকে দেওয়া হবে। তবে পূর্বের লিজ গ্রহনকারীরা অগ্রাধিকার পাবে।

No comments