https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

কক্সবাজার শহরের সাহিত্যিকা পল্লী এলাকায় সরকারি খাস জমি জায়গা বিক্রির সক্রিয় সিন্ডিকেট বেপরোয়া

Recent Tube

কক্সবাজার শহরের সাহিত্যিকা পল্লী এলাকায় সরকারি খাস জমি জায়গা বিক্রির সক্রিয় সিন্ডিকেট বেপরোয়া





নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাহিত্যিকা পল্লী সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সাইফুল ও বালু খালীর নজরুল সাহিত্যিকা পল্লীর সিটি কলেজ ও সরকারি খাস জায়গা ক্রয় বিক্রয়ের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট সাহিত্যিকা পল্লীর সরকারি খাস জায়গা এবং সিটি কলেজের জায়গা এলাকার কিছু সন্ত্রাসীদের দিয়ে প্রথমে দখল করায় পরে তা ভিন্ন ভিন্ন নামে দখলকারীদের কাছ থেকে নামে মাত্র ক্রয় করেন। পরে জেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষিত, ব্যবসায়ী, সরকারি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা লোক জনের কাছে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করতে থাকে।



এই সিন্ডিকেটের অপর সদস্যরা হলেন বিএনপি নেতা হাসান সিদ্দিকী, অধ্যাপক সাইফুলের শ্যালক কক্সবাজার ডিসি অফিসের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বিএনপি নেতা হাসান সিদ্দিকী সাহিত্যিকা পল্লীতে অনুমোদন বিহীন বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। শ্যালক নজরুল ইসলাম সাহিত্যিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের সরকারি খাস জায়গা নিজের টাকা খরচ করে দখল করার ব্যবস্থা করেন। পরে তার লালিত ঐ দখলকারীদের কাছ থেকে নামেমাত্র টাকা দিয়ে দখল করা জায়গা ক্রয় করে নেন। সেই জায়গায় বর্তমানে অক্সফোর্ড স্কুল নামে একটি প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে।


এই সিন্ডিকেট পাহাড় কাটা থেকে শুরু করে অনুমোদন ছাড়া নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ করে যাচ্ছে। এই সিন্ডিকেট যেন সকল আইনের উর্ধ্বে। এই সিন্ডিকেটের সদস্য অধ্যাপক সাইফুলের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, কোন ধরনের ইমারত নির্মাণ করছেন না। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে বলে জানান। আমাদের প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে দেখেন যেভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে বর্ষাকালে বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে তা ধ্বসে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এই সীমানা প্রাচীর যদি ধ্বসে পড়ে পার্শ্ববর্তী বসবাস কারীর ঘরের উপর পড়লে প্রাণহানি হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।


অপর দিকে দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়া পূর্বের গরুর হালদা এলাকার ফুরকান সিন্ডিকেটও একই কায়দা অবলম্বন করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে পানির মূল্যে পাহাড়ী জায়গা ক্রয় করেন। পরে রাতদিন শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে একটু সমান করে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী, প্রবাসীদের উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।



যারা এই জায়গা ক্রয় করেছেন তারা পাহাড়ের চিহ্ন না রেখে কেটে সাবাড় করে ফেলে এবং অনুমোদন বিহীন ইমারত নির্মাণ করে যাচ্ছে। এব্যাপারে ইমারত নির্মাণ কারী সিফাতের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি আমাদের জানান, কক্সবাজারের অনেক বড় বড় নেতারা খাস জায়গায় বসবাস করছে তারা কি অনুমতি নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন ? উল্টো আমাদের প্রতিনিধিকে এই প্রশ্নই করেন। এই এলাকায় আরেক জন বাড়ি নির্মাণ কারী ইকবালের কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘর নির্মাণ এবং মাটি কাটছে না বলে জানিয়েছেন। তবে আমাদের প্রতিনিধি সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখেন সিফাত ও ইকবাল অনুমোদন ছাড়া বাড়ি নির্মাণ এবং পাহাড় কাটছে।

বর্তমানে সাহিত্যিকা পল্লী ও দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়া পূর্বের গরুর হালদা এলাকায় যেভাবে অনুমোদন বিহীন ইমারত নির্মাণ ও পাহাড় কাটছে। সামনের বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের ফলে মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ না করার ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Post a Comment

0 Comments