https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

রামুতে কারাগার থেকে বের হয়ে দু,সহোদয়ের জমজমাট ইয়াবা ব্যবসা

Recent Tube

রামুতে কারাগার থেকে বের হয়ে দু,সহোদয়ের জমজমাট ইয়াবা ব্যবসা



ক্রাইম রিপোর্ট পর্ব ১:
কক্সবাজার রামু উপজেলার জোয়ারিয়া নালায় বশির ও ইমরান দুই ভাইয়ের ইয়াবা সিন্ডিকেট পুরো উপজেলাবাসী প্রশ্নবিদ্ধ। বেকার যুবক এত টাকার মালিক কেন? নীতি নৈতিকতা বিহীন ব্যবহার করেছে রাজনৈতিক নেতা।
মরণব্যাধি করোনাভাইরাস নামক মহামারিতেও থেমে নেই প্রাণঘাতী ইয়াবা।মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো ট্যালারেন্সের মধ্যেও থামানো যাচ্ছে না কিছুতেই। মায়ানমার সংলগ্ন সীমান্ত জেলা কক্সবাজারে রয়েছে দেশের যে কোন জেলার চেয়ে মাদক ক্রেতা বিক্রেতার হিড়িক।কক্সবাজারের আট উপজেলার মধ্যে রামু উপজেলাটিও তার ব্যতিক্রম নয়।রামুর স্হানীয় প্রশাসন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আটক করতে সম্ভাব্য স্থান গুলোতে হানা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।তবে গভীর জলের মাছ হয়ে গোপনে বীমা কোম্পানির চাকরির আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছে এমন কিছু লোকজন।তারই ধারাবাহিকতায় বশির ও তার ছোট ভাই ইমরান সহ তাদের পরিবারটি সিন্ডিকেট করে রমরমা ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন যাবৎ।বেশ কিছু মাস পূর্বে বশির বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ রামু থানায় আটক হলেও মুরগির ফার্ম ব্যবসাকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে তার ভাই ইমরান রয়েছে প্রশাসনের নাগালের বাহিরে।

অনুসন্ধানে জানাগেছে,রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ভরাছরাকুল এলাকার আবুল হোসেনের পুত্র বশির ও ইমরান শুরুর দিকে স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ডিপ ফ্রিজ(পায়ুপথে) ইয়াবা চালান পাচারের মধ্যদিয়ে ইয়াবার লাল দুনিয়ায় প্রবেশ করে।এক পর্যায়ে ইয়াবা সহ আইন শৃংক্ষলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করে জামিনে ছাড়া পায়।জেল থেকে বাহির হয়েও কারবারি বশির তার ছোট ভাই ইমরানের পৃষ্টপোষকতায় আবারও মাদক ব্যবসা শুরু করে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে,বিগত ৩ বছর আগেও বেকার যুবক হিসেবে পরিচিত ছিলো বশির ও ইমরান।ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় বীমা কোম্পানিতে চাকরি করলেও আর্থিক ভাবে তেমন কোন স্বচ্ছলতা আসছিল না কিছুতেই। মাত্র ২/৩ বছরে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক ও জোয়ারিয়ানালার মালাপাড়ায় এলাকায় অন্তত ৩টি বিশাল ফার্ম মুরগির খামার,নামে বেনামে জায়গা সম্পত্তি ও বিভিন্ন কোম্পানির একাধিক দামী মোটরসাইকেল মালিক বনে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে কানাঘুষা সহ স্থানীয়দের মুখে মুখে আলোচনার শীর্ষে আসে এই সহোদর দ্বয়ের নাম।

গোপন সূত্রে জানা গেছে,তার ভাই ইমরানের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এই পরিবার। টাকা বিনিয়োগ করে যাচ্ছে বশির আর ব্যবসার নিয়ন্ত্রনও তার হাতে।সে ব্যবসায় স্থানীয় ভাবে তার ভাই ইমরান এলাকার একাধিক বেকার যুবকদের আর্থিক অভাবের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের মাধ্যমে ইয়াবা পাচার করে আসছিলো। এভাবে চক্রটি দ্বীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত ।অপরদিকে ইয়াবার টাকায় অন্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করার কারণে ইয়াবা কারবারি ইমরান ও বশির সাংবাদিকদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি সহ ফেসবুকে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এই সহোদর।সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে অবগত করতে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এর মুঠোফোনে কল দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।সচেতন মহলের অভিমত ও স্হানীয়দের দাবি
ইয়াবা ব্যবসা রোধে এসব চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা না গেলে সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার মিশন বাস্তবায়ন কিছুতেই সম্ভব না।

(চোখ রাখুন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়)

Post a Comment

0 Comments