https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

হ্নীলার হোসাইন আহম্মদ মেম্বার যেন রোহিঙ্গা ভোটার করার কারিগর - coxsbazarbanglanews.com

বিজ্ঞাপন দিতে পারেন !

TRUE

Page Nav

HIDE

br

HIDE

Grid

GRID_STYLE
FALSE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

latest

ads by cbbn

হ্নীলার হোসাইন আহম্মদ মেম্বার যেন রোহিঙ্গা ভোটার করার কারিগর

বিশেষ প্রতিনিধি  টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হোসাইন আহম্মদ যেন মিয়ানমার নাগরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের...



বিশেষ প্রতিনিধি 
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হোসাইন আহম্মদ যেন মিয়ানমার নাগরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভোটার তালিকাভুক্ত করার কারিগর। হোসাইন আহম্মদ মেম্বার লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে মিয়ানমার নাগরিকদের ভোটার করেছে বলে জানা যায়। 

মোঃ কামালরা পূর্বে মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন। কামাল হ্নীলা দারুস সূন্নাহ মাদ্রাসায় পড়ার সময় হ্নীলার  মৌলানা ছৈয়দকে পিতা বানিয়ে। পড়া লেখা কালীন সময়ে মোঃ কামালের পিতা- মাতা ভাই-বোন সহ বাংলাদেশে চলে আসে। অর্থাৎ টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পান খালী গ্রামে চলে আসেন। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার হোসাইন আহম্মদ। এই হোসাইন আহম্মদ মেম্বার মোঃ কামাল, তার পিতা ও মাতাকে ভোটার করে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে। বর্তমানে মোঃ কামালের পিতা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে আছেন। 

 মোঃ কামাল কি ভাবে বাংলাদেশের ভোটার হয়েছে জানতে আমাদের ক্রাইম নিউজ এডিটর কামালের মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করলে কামাল জানান বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে হিসাবে ভোটার হয়েছে বলে দাবী করেন। তার দাদা, বাপ- চাচারা কি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক নাকি মিয়ানমারের? এমন প্রশ্ন করলে ফোন কেটে দেয়। এর পর অনেকবার চেষ্টা করেও মোঃ কামালের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। 
হোসাইন আহম্মদ মেম্বারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। 

আমাদের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টেকনাফ সদস্য সরজমিন অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, এক সময় হোসাইন আহম্মদ মেম্বারের আর্থিক অবস্থা তত ভাল ছিলনা। এই হোসাইন আহম্মদ মেম্বার মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইউনিয়নের মেম্বার হওয়ার সুবাদে মিয়ানমারের বিভিন্ন মাদক কারবারি, রোহিঙ্গা জঙ্গী এবং ধনীদের  সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। এর সুবাদে মিয়ানমারের বিভিন্ন নাগরিকদের বাংলাদেশের এনআইডি কার্ড এবং ভোটার তালিকাভুক্ত করে দিয়ে কোটি টাকার সহায় সম্পদের মালিক হয়ে যায়। 

হোসাইন আহম্মদ মেম্বার মিয়ানমারের যে সমস্ত ইয়াবা ডনদের ভোটার করেছে তাদের মাধ্যমে ইয়াবা পাচারের কাজ করায় বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। অপর দিকে মিয়ানমার নাগরিক জঙ্গী বার্মাইয়া মৌলভী শমসুকেও ভোটার করেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এই বার্মাইয়া মৌলভী কক্সবাজারস্থ সরকারি কলেজের পেছনের হাফেজ ছালাহুলের সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। হাফেজ ছালাহুলদের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান করার একটি সংস্থা আছে। বিভিন্ন সময় এই সংস্থাটি বিভিন্ন নামে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যায়।  হাফেজ ছালাহুলের এই সংস্থাটির বিভিন্ন সময় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। হোসাইন আহম্মদ মেম্বার এই সংস্থারও বেনামি অন্যতম সুবিধা ভোগী সূত্রে প্রকাশ। 

এদিকে হোসাইন আহম্মদ মেম্বার অন্য যে সমস্ত রোহিঙ্গাদের ভোটার করেছে এবং যারা ভোটার হয়ে বাংলাদেশের এনআইডি ও মাটি ব্যবহার করে  ইয়াবা কারবার চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে জোর অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে যে রোহিঙ্গা জঙ্গী বার্মাইয়া মৌলভী সমশুকে হোসাইন আহম্মদ মেম্বার ভোটার করিয়েছিলেন সেই বার্মাইয়া মৌলভী সমশু টেকনাফ মডেল থানার তৎকালীন ওসি (বহিষ্কৃত) প্রদীপের ভয়ে হ্নীলার ঘরবাড়ি বিক্রি করে বর্তমানে কক্সবাজার শহরে বসবাস করছে বলে সূত্র জানিয়েছেন। সেই বার্মাইয়া মৌলভী সমশু সম্পর্কে আমাদের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে হ্নীলা এবং কক্সবাজার শহরে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুসন্ধান পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত পত্রিকায়  প্রকাশ করা হবে।

No comments