https://www.coxsbazarbanglanews.com

https://www.coxsbazarbanglanews.com

উখিয়ার রেঞ্জকর্মকর্তা চারাগাছ কর্তন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা - coxsbazarbanglanews.com - CBBN

Page Nav

HIDE

br

HIDE

Grid

GRID_STYLE
true
FALSE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

latest

ads by cbbn

উখিয়ার রেঞ্জকর্মকর্তা চারাগাছ কর্তন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা

সিবিবিএন ডেস্ক :কক্সবাজারের উখিয়ায় রেঞ্জকর্মকর্তা দোছরি এলাকায় বন বিভাগের কর্মকর্তা সরকারি জমির মালিকানা পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত এলাক...


সিবিবিএন ডেস্ক :কক্সবাজারের উখিয়ায় রেঞ্জকর্মকর্তা দোছরি এলাকায় বন বিভাগের কর্মকর্তা সরকারি জমির মালিকানা পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে।
উক্ত এলাকার মানবাধিকার কর্মী জনাব বেলাল মোস্তফা, এডভোকেট সেলিমুল মোস্তফা, এডভোকেট দিদারুল মোস্তফা, পিতা : সিরাজ আহমেদ।
এবং সিরাজ আহমেদ পিতা কালা মিয়া, আব্দুল্লাহ পিতা সিরাজ আহমেদ, আব্দু ছালাম পিতা লাল মিয়া, বেলাল উদ্দিন পিতা মতিউর রহমান, শাহ আলম পিতা কবির আহমেদ এরা সামাজিক বনায়ন করার জন্য দোছরি এলাকার বিগত ৪ বছর পূর্বে ৭ একর জমিতে বিভিন্ন রকম ফলজি,ঔষধি, বনজি গাছের ছারা রোপণ করেন।
উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তা দোছরি বনবিটের আওতায় সাবেক রেঞ্জকর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ও সাবেক বিট কর্মকর্তা আশরাফুল আলী মৌখিক আশ্বাসে উক্ত দোছরি এলাকায় বন বিভাগের জমিতে মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা সমন্বয়ে প্রায় ১০,০,০০০ দশ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ রোপন করেন। কিন্তু ঔ সময় সরকারিভাবে সামাজিক বনায়নের প্লট বরাদ্দ না থাকায় সাবেক রেঞ্জ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা সমন্বয়ে দোছরি এলাকায় বন বিভাগের জমি বরাদ্দ দিতে পারেনি। তবে যেসময় সরকারিভাবে বনবিভাগের জমি সমাজিক বনায়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে তখন মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।
কিন্তু ঐ রেঞ্জকর্মকর্তার সরকারি বদলির হওয়ায় বেলাল মোস্তফার কপালে অশনিসংকেত হয়।
দোছরি এলাকায় বন বিভাগের জমিতে এতটাকা ব্যয় করে ঘোড়া ডিম বলে এলাকাবাসী জানান।
বর্তমানে উখিয়া রেঞ্জকর্মকর্তা  দোছরি এলাকার রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ও বিটকর্মকর্তা রাকিব পূর্বের রেঞ্জ কর্মকর্তার ও বিটকর্মকর্তা মৌখিক আশ্বাস মেনে নিতে নারাজ। মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা সমন্বয় দোছরি এলাকায় বন বিভাগের জমি বরাদ্দ না থাকায় রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ও রাকিব এদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা রেঞ্জকর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তাকে উপযুক্ত টাকা দিতে না পারায় গত
১৯/১১/২২ইংরেজী তারিখে উক্ত দোছরি এলাকায় বন বিভাগের জমিতে হানা দিয়ে মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফার ফলজি, বনজি,ওষুধির গাছের ছারা অধিকাংশ কেটে ফেলেন।
মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা প্রতিবাদ করলে তাকে বন মামলা গলায় পরিয়ে দেয়া হয়। রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম নিজে উপস্থিত হয়ে বেলাল মোস্তফা বাগান দখল করে অন্যদের ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
দোছরি এলাকাবাসী জানান, বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ও বনবিট রাকিব বনবিভাগের জমি নিয়ে নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। রেঞ্জকর্মকর্তাকে টাকা দিলে সবকিছু বৈধ যদি গরীব লোক সরকারি জমির বসতভিটা বারবার ভেংগে দেন। আরও জানান
অনেক গরীব লোক দোছরি এলাকায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী বেলাল মোস্তফা বলেন -
আমি বাংলাদেশ সরকারের বনবিভাগের জমি সমাজিক বনায়ন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করলে সাবেক রেঞ্জ কর্মকর্তা তারেকুল ইসলাম ও বিট কর্মকর্তা আশরাফুল আলী আশ্বাসের ভিত্তিতে দোছরি এলাকার বনবিভাগের ৭ একর জমিতে ফলজি ও ঔষধি, বনজি, গাছের ছারা রোপণ করি। বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ও বনবিট রাকিব আমার রোপন ছারা কর্তন করে উল্টো আমাকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমি উক্ত দোছরি এলাকায় বন বিভাগের কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম ও রাকিবকে মোটা অংকের টাকা দিতে না পারায় আমার রোপনকৃত ছারা কর্তন সাবাড় করে দে। আমাদের এত টাকা ব্যয়ে ছারা কর্তনে ও মিথ্যা বানোয়াট মামলায় ফাঁসানো উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার প্রার্থনা করি।

No comments